Skip to main content

Featured

১৫ আগস্ট: ইতিহাসকে এক চোখে দেখা যায় না ।15august

 ১৫ আগস্ট: ইতিহাসকে এক চোখে দেখা যায় না ১৫ আগস্ট এলেই আমাদের সামনে একটি কঠিন প্রশ্ন দাঁড়ায়—শেখ মুজিবুর রহমান কি শুধু একজন মহান নেতা, নাকি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্ধকার অধ্যায়গুলোকেও সমানভাবে স্মরণ করা উচিত? আমার কাছে ইতিহাস মানে কাউকে দেবতা বানানো নয়, আবার কাউকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করাও নয়। যে মানুষটি বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ১৯৭১-এর স্বাধীনতার ঘোষণার সঙ্গে যাঁর নাম ঐতিহাসিকভাবে যুক্ত, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশকে রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড় করানোর কাজ শুরু করেছেন—তাঁর অবদান অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কিন্তু একই সঙ্গে সত্য এটাও যে তাঁর শাসনামলের শেষদিকে দেশ ভয়াবহ সংকটে পড়ে। ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রক্ষীবাহিনী নিয়ে বিতর্ক এবং ১৯৭৫ সালে বাকশালের মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা—এসব সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট ঐতিহাসিক কারণ আছে। সংবাদপত্র ও মৌলিক রাজনৈতিক অধিকারের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। তাই কাউকে ভালোবাসতে হলে তাঁর ভুল অস্বীকার করতে হবে—এমন নয়। আবার তাঁর ভুলের সমালোচনা করলেই তাঁর সব অবদান মুছে যায়—এটাও সত্য নয়। ১৫ আগস্টের সবচেয়ে বড় শ...

অযথা মন খারাপ না করা,



 বর্তমানে আমরা কোন বিষয় নিয়ে মন খারাপ করবো আর কোন বিষয়টা নিয়ে হাসাহাসি করব সেটার জ্ঞানি হারিয়ে ফেলছি, ছোট থেকে ছোট বিষয় নিয়ে আমাদের মন, মায়ের কাছে সন্তান  এক গ্লাস পানি খুঁজলে পানিটা না দিলেও সন্তানের মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে,, তার মানে সন্তানেরা এটা বুঝে নিচ্ছে যে সে তার মায়ের কাছে এক গ্লাস পানিটা পাই, সন্তানরা নিজেদের দায়িত্ব বোঝার আগে অধিকার নিয়ে চিন্তিত, ফলে তাদের মন খারাপও হচ্ছে বেশি,ভিতরে ভিতরে  সবাই শেষ হয়ে যাচ্ছে, কেউ নিজেকে এখন আগের মতো মূল্য দেওয়া ছেড়ে দিয়েছে, কেউ সুন্দর জামা পড়া কিনা ছেড়ে দিয়েছে, কেউ একাকীত্ব পছন্দ করছে আগের থাকে বেশি,কেউ আ'ত্মীয়-স্বজনদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ করেনা , কেউ ভালো আছি"এরকম বলে দিন পার করে দিচ্ছে।

কিন্তু যখন আমাদের অনেক মন খারাপ হবে, তখন যে বিষয়টা নিয়ে মন খারাপ হবে, যদি মনে হয় যে চিল্লা চিল্লি করলে মন ভালো হতে পারে তাহলে চিল্লিয়ে নেওয়া, যদি মনে হয় কান্না করলে ভালো লাগবে তাহলে আওয়াজ করে কান্না করে নেওয়া, *** নিজেকে একটু সময় দেওয়া কোন পছন্দের কিছু খাওয়া বাকি না, একটু বের হওয়া একাকি বসে না থাকা, নিজের আপনজনদের সাথে খারাপ লাগা বিষয়টি শেয়ার করা, পানি খাওয়া, অনেক সময় বেশি মন খারাপ থাকলে পানি খেলে ও ভালো লাগতে পারে,

 এভাবে যে কোন মাধ্যম অবলম্বন করে নিজেকে ভালো রাখতে হবে, একটা মানুষ তো তখনই শান্তি থাকে যখন তার মন ভালো থাকে, মন ভালো না থাকলে কোন ভাল কাজ করেও শান্তি পাওয়া যায় না, তাই যখন মন খারাপ হবে যে কোন মাধ্যমে মনটা ভালো রাখার চেষ্টা করে যেতে হবে। কোন খারাপ ঘটনা ঘটার কারণে যদি মন খারাপ থাকে তাহলে সেটার জন্য কখনো নিজেকে দায়ী না করা, মন খারাপের সময় গুলো সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা, নিজের খারাপ না লাগা বিষয়গুলো কোথায় লিখে নিজে নিজে চিন্তা করা, 

মন খারাপের সময় যে আল্লাহতালার কাছে দোয়া করা , তিনি যেনো মনকে প্রশান্ত করদেন । নিজের সব চাওয়া-পাওয়ার কথা, আকাঙ্খা স্রষ্টার কাছে বলা । কোরআন শরীফ তেলাওয়াত করা, চেষ্টা করা নিয়মিত পড়ার,ইনশাআল্লাহ অনেকটাই হালকা মনে হবে নিজের খারাপ লাগা সময় টাতে..।

 ছোটখাটো বিষয় নিয়ে মন খারাপ না করা, চুপ থেকে সবকিছুকে মানিয়ে নিতে পারলেই জীবন সুন্দর,


Comments