Skip to main content

Featured

স্ত্রীকে হকের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকলে দ্বিতীয় বিয়ে কেন চতুর্থ বিয়ে পর্যন্ত ধাপে ধাপে করা যায়..,

 বারে বারে প্রমাণিত হয় বা নিজেরাই প্রমাণ পাই যে সব সময় সত্য সত্যই থাকে। হাজারো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখলেও অন্য মাধ্যমে হলেও সে প্রকাশ পায় কারণ সে সত্য।  তদ্রূপ প্রত্যেকেরই দায়িত্ব হয়ে যায় যখন সে সত্যকে উপলব্ধি করে সত্যের জ্ঞান রাখে সত্য কিসে আটকে ধরে বেঁচে থাকার সম্বল মনে করেন। যে সত্য ধরে ন্যায়ের পথে হাঁটতে চাই, তাকেই কিন্তু ওই সত্যটা বলতে হয়, পরিস্থিতি চিন্তা করে মানুষকে আঘাতে বলতে পারা যায় না, পরিস্থিতি তো প্রত্যেকটা মুহূর্তে বদলাতে পারে কিন্তু সত্য যেটা সেটা কোন মুহূর্তে বদলায় না।  যে সত্যটা জানে তাকেই সেটা বলতে হয় এটা নিয়ে ছোট্ট একটা গল্প শোনি.., একদিন খলিফা হারুনুর রশিদ তাঁর স্ত্রী জুবাইদাকে বললেন, আমি কি আরেকটা বিয়ে করতে পারি? জুবাইদা বললেন, আমি থাকতে আপনার জন্য অন্য কাউকে বিয়ে করা বৈধ নয়। খলিফা বললেন, তুমি কীভাবে নিশ্চিত? জুবাইদা উত্তর দিলেন, আপনি চাইলে কোনো আলেমকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। খলিফা বললেন, তাহলে চলুন, সুফিয়ান সাওরির কাছে যাই। খলিফা সুফিয়ান সাওরি রহ.-এর কাছে গিয়ে বললেন, আমার স্ত্রী বলে—সে থাকতে আমার জন্য আরেকটি বিয়ে করা বৈধ নয়। অথচ কু...

বাহ্যিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক ভালো গুণ!!!!



 মানুষ পৃথিবীর এমন একটি সৃষ্টি, যারা সব আরাম আয়েস আর  সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হয়। তবে সৌন্দর্য্য বলতে শুধু বাহ্যিক রূপ নয়,তার ভিতরে লুকিয়ে থাকা গুণাবলীও সৌন্দর্যের অন্তর্ভুক্ত। 

যখন মানুষ বলে"সবাই সৌন্দর্য্যের পূজারী," তখন অনেক সময় খারাপ লাগলে ও এটা বুঝি যে আসলেই কথাটা অনেকাংশ সময় সত্যই হয়,মানুষকে বাহিরের সৌন্দর্যই প্রথমে নজর কেড়ে নেয়,আর অন্তরের সৌন্দর্য আমাদের চোখের আড়াল হয়ে যাই, তার সকল গুনাগুন আমরা আর দেখিনা,কারণ আমরা মানুষরা নিজের মন মতো করে নিয়ম তৈরী



করি আবার সেই নিয়ম নিজেদের পছন্দ না হলে আবার ভঙ্গ করি যেমন পানিতে পিঁপড়া পরলে  পানি সব ফেলেদি আবার যখন শরবত বানাতে গিয়ে দেখি চিনিতে পিঁপড়া তখন সাথে সাথে পিঁপড়াটা ফেলেদি চিনা রেখে দি, তদ্রুপ অনেক ক্ষেত্রে আমরা সুন্দর হলেই হয় তার খারাপ কোনো কিছুই  পাত্তা দিনা । বাহিরের সৌন্দর্যই সব,তাই গুণী মানুষরা অবহেলিত হতে থাকছে এখন সমাজে, তাদের প্রতি ভালোবাসা বা  সমাজিকতা কোনোটাই হচ্ছে না সব দিক থেকেই পিছিয়ে পড়ছেন সম্মানিত মানুষেরা।

ওপর দিকে এই বাহিক সৌন্দর এর প্রভাব গিয়ে পড়ছে অনেক নারীর জীবন অতিবাহিত করার ক্ষেত্রে,কারণ সমাজ গুনের কদর করতে ভুলে যাচ্ছে,যদি গুণের প্রতি আকৃষ্ট হতো, তবে এতো বিচ্ছেদের  মতো মর্মান্তিক  চিত্রগুলো আমাদের চোখে পড়তো না,অনেক পিতা বেঁচে থেকেও সন্তান বাবা ডাকার অধিকার খুঁজতে হতোনা, কিছু মা বেছে থাকতে ও মায়ের পাশে শুয়ে একটু শান্তির নিঃশাস ফেলতে পারার আক্ষেপ করতে হতোনা,মানুষের হৃদয়ের সৌন্দর্য, তার মেধাও আচার ব্যবহার এবং ভালোবাসা যদি প্রাধান্য পেতো, তবে সম্পর্কগুলো আরো দৃঢ় এবং স্থায়ী হতো!!!

তাই সমাজের মানুষ গুলোর প্রতি আহ্বানও ভালোবাসা, প্রত্যেকে নিজ নিজ স্থান থেকে যদি নিজেদের চিন্তা পরিবর্তন না করি তাহলে দিনে দিনে আমাদের  পরিবেশ ও সমাজ গুলো খারাপ হয়ে যাবে,, নষ্ট হয়ে যাবে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যাৎ, কারণ তারা তাই শিখবে যা আমরা আপনারা তাদেরকে দেখিয়ে যাবো, সেটা হোক ভালো বা খারাপ, ভালোবাসা কিংবা বিচ্ছেদ, তাই যদি আমরা সৌন্দর্যের চেয়ে তার অন্তর্গত গুণাবলীর প্রতি বেশি প্রধান্যদি আশা করা যাই আগামীতে ও তাদেরকে ১০০% লোকের মাঝে অনন্তত ৮০%লোক হলে ও আপনি আমার মতো!সৌন্দর্য থেকে ও তার গুনকে মূল্যায়ন করবে।

 মানুষের সৌন্দর্য হলো ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু তার মাঝে থাকা গুণ হলো চিরস্তায়, সে যতোদিন বেঁচে থাকবে, তবে সেটা সম্পর্ণ আপনার উপর, যদি আপনি তাকে তার মতো করে রাখতে পারেন,গুণী মানুষদেরকে সঠিকভাবে সম্মান দিতে হবে,কারণ তাদের চিন্তাধারা সন্দর করবে আমাদের ভবিষ্যত গড়তে।

সুন্দর কাঠামো তৈরী করতে হলে, বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, অন্তরের সৌন্দর্যকেই গুরুত্ব দিতে হবে, তাহলে দেখবেন বিচ্ছেদ কমে যাবে, ভালোবাসা বেড়ে যাবে, পৃথিবী তার আসল সৌন্দর্য খুঁজে পাবে, প্রত্যেকটা মানুষ পাবে তার সম্মান, আর আয়নায় চেহারার সৌন্দর্য না খুঁজে খুজবে নিজের চরিত্র। 


Comments