Skip to main content

Featured

মুসলিম ভাইয়ের জরুরত পূরণ করলে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নিজ জরুরত পূরণের আশ্বাস রয়েছে।

   মুসলমান মুসলমানের প্রতি যুলুম করবে না এবং তাকে অপমানিতও করবে না। ইয়াহয়া ইবনে বুকাইর (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার উপর যুলুম করবে না এবং তাকে জালিমের হাতে সোপর্দ করবে না। যে কেউ তার ভাইয়ের অভাব পুরণ করবে আল্লাহ তার অভাব পূরণ করবেন। যে ব্যক্তি (পৃথিবীতে) কোন মুসলমানের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার বিপদসমূহ দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ গোপন করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন।  - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ سَالِمًا أَخْبَرَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَخْبَرَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «المُسْلِمُ أَخُو المُسْلِمِ لاَ يَظْلِمُهُ وَلاَ يُسْلِمُهُ، وَمَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ كَانَ اللَّهُ فِي حَاجَتِهِ، وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِمٍ كُرْبَةً، فَرَّجَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرُبَاتِ يَوْمِ القِيَامَةِ، وَمَنْ سَتَرَ...

ছোটদের কিছু ব্যবহার যদি মনে হয় বড় হয়ে ও এটা আমাদের থাকা উচিৎ তাহলে আবার ও যদি ফিরে যাই সেই শিশুদের আচরণ এ তাহলে কিছু খুব বেশি অসুবিধা হবে আমাদের..!


আজ রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় ছোট্ট একটা মেয়ের অনুভূতি দেখে খুবই ভালো লাগলো..!

 আমি যে রাস্তা দিয়ে হাঁটবো, সে রাস্তায় আমার থেকে অনেক দূরে থাকা একটা , আমাকে দেখে এমন ভাবে দৌড়ে আসলো আর সে আমাকে জড়িয়ে ধরল, মনে হল যেন সে আমার খুব পরিচিত যেনো সে আমাকে অনেক্ষন খুঁজতেছিলো.., এরপরে সে আমাকে তার জামার ফিতাটা লাগিয়ে দিতে বললাম,তখন আমি তার জামার ফিতা লাগাচ্ছি আর হাসতেছি।

 যাইহোক তাকে তার ফিতাটা লাগিয়ে দিলাম।

 আর তখন মনে মনে চিন্তা করতে লাগলাম, ছোটরা কত সহজ সরল হয়, যেমনটা আমরাও সময় ছিলাম এক সময় যখন ছোট ছিলাম, তখন ছিল না কোন হিংসা, কোন মান অভিমান, চেনা অচেনার মধ্যে পার্থক্য, ধনী গরিব এর মাঝে কোন পার্থক্য, সম্পদ আর টাকার প্রতি মন, লজ্জা ও দেমাগ, কারো প্রতি সুধারনা বা কারো প্রতি কুদ্বারণা। কারো প্রতি ঝগড়া বা রাগের পরে অনেকদিন সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার এই মনোভাবও না।

অনেক বিষয়ে আমার যখন অনেক বেশি রাগ হয় তখন নিজে নিজে চিন্তা করি আচ্ছা যদি এমন টা কোনো ছোট শিশুর সাথে হতো তখন সে কি করতো..!

নিজের রাগ টা তাঁদের জায়গায় নিয়ে চুপ থাকার চেষ্টা করি।

এই নিয়মটা প্রত্যেক ব্যক্তিই চাইলে মানতে পারেন, হাজারো রাগ অভিমান করে কি এমন লাভ হয়, শেষে নিজের রাগ এবং জিতের জন্য নিজেকে পস্তাতে হয়, একটু ভালো থাকার জন্য দুনিয়াতে কত ধরনের অভিনয় করতে হয়, হাজারটা অভিনয়ের মাঝে এটাও না হয় একটা অভিনয়।

 জীবনের এক প্রান্তে এসে সকলেই বুঝতে পারেন তার করা ভুলগুলো, কিন্তু ছোট বাচ্চাদের মত মন মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে চললেন সেই ভুলগুলো ধরার সময়টাই আর পাওয়া যাবে না।

 তাই রাগ অভিমান ঝগড়া খুব সংক্ষিপ্ত আকারে করা, মানুষের জীবন তো একটাই তাই এই জীবনটা সুন্দর করে উপভোগ করতে হলে, ছোট বাচ্চাদের আচার-আচরণে নিজেদের মধ্যে নিয়ে আস্তে হবে।

Comments