Skip to main content

Featured

দান করাতো গুপনেই সুন্দর ও বরকত ময়।

  আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহী  ওয়া বারাকাতুহ্  আমরা সকলেই জানি মানুষ মরণশীল, যার জম্ম একবার হয়েছে পৃথিবীতে তার মৃত্যু ও হবে। তবে মৃত্যুর মতো এমন এক কঠিন সময়ে মানুষের ও মানুষ এর আপসোস হবে আর সেই আপসোস টা কি জানেন..! সেটা হলো,পৃথিবীতে সে কেনো দান করলো না., আমাদেরকে যদি  মৃত্যুর পরও এমন একটা বিষয় নিয়ে আক্ষেপ করতে হয় আর আমরা যদি জীবিত অবস্থাতেই এই আক্ষেপের বিষয়ে জানি এবং খেয়াল রাখি তাহলে তো মৃত্যুর পরে আমাদের আর আক্ষেপ করতে হবে না।  দান ছদকা তো দান সদকাই হয় সেটা আপনি অল্প টাকা দিয়ে কাউকে হেল্প করুন বা তার প্রয়োজন যেটার সেটা দেন হয় খাবার না হয় বাসস্থান।  আমরা আমাদের সফলতার পথে হাঁটতে গিয়ে অনেক সময় অনেক কিছু খুব সহজে পেয়ে যাই আবার অনেক সময় এমনও হয় যে, অনেক চেষ্টা করার পরেও পাইনা বা সন্দেহে থাকি এবং সেটার জন্য আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে অনেক দোয়া করি, এমন কোন বিষয় যদি দোয়া করার সাথে সাথে পেয়ে যাই তখন আমরা ভিতর থেকে খুবই খুশি হই, যে খুশিটা একমাত্র যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার কাছে খোঁজা জিনিসটা পাই সে আর আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কেউ জানে না, কার...

ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল যেগুলো কখনো ছাড়া উচিত না আমাদের জন, যা আমাদের জীবন এ বারাকাহ্ আনেবে ইনশাআল্লাহ..!।



ফরজ ইবাদাতের পর কয়েকটা আমল ছাড়বেন না কখনো। ইনশাআল্লাহ জীবনে বারাকাহ্ আসবে।


** সবসময় জবানে ইস্তেগফার রাখবেন। ১/২ হাজার যত পারেন। ইস্তেগফারে রত থাকলে আপনার উপর আযাব,মুসিবত আসবে না ইনশাআল্লাহ। রিজিকে বারাকাহ্ আসবে৷ দুআ কবুল হবে। 

** ইস্তেগফারের ফাঁকে ফাঁকে দুরুদ পাঠ করবেন। দুরুদ পাঠে আল্লাহর রহমত নাযিল হয়৷ ফেরেশতাদের দুআ পাওয়া যায়। 

** ঘরের মানুষজনকে সালাম দিবেন প্রতিদিন। সালামে পরস্পরের মধ্যে মোহাব্বত বাড়ে৷ ঘর থেকে শয়তান বিতাড়িত হয়। 

** ছোট কাজ হোক,তবুও তা বিসমিল্লাহ পাঠ ছাড়া শুরু করবেন না। আল্লাহর নামে বরকত লাভ হয়৷ 

 ** প্রতিদিন সূরা বাকারাহ তিলওয়াত করার চেষ্টা করবেন। সব দায়িত্ব সামলে পুরোটা তিলওয়াত কঠিন। তাই যতটুকু সম্ভব তিলওয়াত করবেন। এটি বরকতময় সূরা। হায়েজ থাকলে অডিও শুনবেন। 

** প্রতিদিন এক টাকা হলেও সদকাহ্ করবেন। তা না পারলে কুকুর-বিড়ালদের খাবার-পানি দিবেন। সদকাহ্ বিপদমুক্তির উসিলা। 

** সকাল-সন্ধ্যার যিকর ভুলেও বাদ দেওয়া যাবে না। সকাল,সন্ধ্যা,ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীর বন্ধ করা বাধ্যতামূলক। এই আমলের কারণে আল্লাহ আপনাকে হেফাজতে রাখবেন। 

**টাকা-পয়সা,সম্পদ,ঘরের আসবাব,জিনিসপত্র, চাল-ডাল বারবার গণনা করবেন না। এতে বারাকাহ্ নষ্ট হয়। লোভ করবেন না। দুনিয়াকে অন্তরে নয়,মস্তিষ্কে ঠাঁই দিবেন। ফলে দুনিয়ার কিছু হারিয়ে গেলেও আফসোস হবে না। আবার হারানোর ভয়ও থাকবে না৷ 


**  মাগরিবের আগেই "বিসমিল্লাহ" পড়ে দরজা,জানালা বন্ধ করে দিবেন। মাগরিবের নামাজের পর আবার খুলে দিতে পারেন,সমস্যা নেই। হাদিসে এই ব্যাপারে সতর্কতা আছে। 

** সব বিষয়ে আল্লাহর কাছে চাইবেন। আল্লাহকে বলবেন৷ যা প্রয়োজন,আল্লাহকে আগে বলবেন,পরে অন্য কাউকে। ঘরের জিনিস ফুরিয়ে গেলে কর্তাকে বলার আগেও আল্লাহকে বলবেন৷ দুআর মাধ্যমে আল্লাহর প্রতি আপনার মুখাপেক্ষিতা বাড়বে। মানুষের অমুখাপেক্ষী হতে সাহায্য করবে। 

** "আমার নাই, আমি পাই নাই,তুমি দাও নাই,কেউ দেয় নাই" টাইপের আফসোস করবেন না৷ হা-হুতাশ করবেন না। হিংসা ঝেড়ে ফেলে দুআ করবেন অন্যের জন্য। নিজের অবস্থান নিয়ে বেশি বেশি কৃতজ্ঞ হবেন আল্লাহর প্রতি। শুকরিয়া করলে আল্লাহ বাড়িয়ে দেন। 


এই ক'টা আমল নিজের জন্য লাযিম করে নিবেন ইনশাআল্লাহ।



Comments