Skip to main content

Featured

মুসলিম ভাইয়ের জরুরত পূরণ করলে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নিজ জরুরত পূরণের আশ্বাস রয়েছে।

   মুসলমান মুসলমানের প্রতি যুলুম করবে না এবং তাকে অপমানিতও করবে না। ইয়াহয়া ইবনে বুকাইর (রাহঃ) .... আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলমান মুসলমানের ভাই। সে তার উপর যুলুম করবে না এবং তাকে জালিমের হাতে সোপর্দ করবে না। যে কেউ তার ভাইয়ের অভাব পুরণ করবে আল্লাহ তার অভাব পূরণ করবেন। যে ব্যক্তি (পৃথিবীতে) কোন মুসলমানের বিপদ দূর করবে, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন তার বিপদসমূহ দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলমানের দোষ গোপন করবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ গোপন করবেন।  - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ أَنَّ سَالِمًا أَخْبَرَهُ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا، أَخْبَرَهُ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «المُسْلِمُ أَخُو المُسْلِمِ لاَ يَظْلِمُهُ وَلاَ يُسْلِمُهُ، وَمَنْ كَانَ فِي حَاجَةِ أَخِيهِ كَانَ اللَّهُ فِي حَاجَتِهِ، وَمَنْ فَرَّجَ عَنْ مُسْلِمٍ كُرْبَةً، فَرَّجَ اللَّهُ عَنْهُ كُرْبَةً مِنْ كُرُبَاتِ يَوْمِ القِيَامَةِ، وَمَنْ سَتَرَ...

" (كما تدين تدان)”। যেমন করবে, তেমনই প্রতিদান পাবে, স্ত্রীদের উচিত তার স্বামীকে তার মায়ের প্রতি অনুভূত হওয়ার তাগিদ দেওয়া। আর স্বামীর উঠিত তার স্ত্রীকে তার মা বাবার প্রতি ও অনুগত হওযার বেপারে সহায়তা করা।।



বর্তমানে মানুষের মধ্যে এত বিশৃঙ্খলা ও অশান্তির কারণ খুঁজতে গেলে প্রথম কারণটাই হয় অপ্রাপ্তিতে ভোগে।

 হয় পরিবার থেকে না হয় নিজেকে নিজে  ছোট করে বা কিছু না পাওয়ার আক্ষেপে।

 অথবা সবকিছু নিজের করে ভাবে কিন্তু পরে অনেক কিছু থেকেই সে বঞ্চিত হয়।

 পাওয়া না পাওয়ার ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলে।

 হারিয়ে ফেলে নিজের সুন্দর অনেক জিনিসকে।

 নিজের জন্য ভালো খুজতে গিয়ে ভালোটাই হারিয়ে ফেলেছে অনেক মানুষ।

আমরা না হলে ও গল্পটি ভালো লাগলো, তাই শেয়ার করলাম…

এক ব্যক্তি বিবাহ করল। বিয়ের প্রথম দিন সে, তার মা ও তার নববধূ একসাথে খাবার টেবিলে বসল।

সে খাবারের বড় অংশ ও যত্নের আচরণ নববধূর প্রতি করল—এই ভেবে যে, আজ তার জীবনের প্রথম দিন, তাই তাকে খুশি রাখা দরকার।

আর তার মায়ের জন্য দিল সামান্য খাবার, কোনো যত্ন বা মনোযোগ ছাড়াই।

নববধূ বিষয়টি লক্ষ্য করল। সে ছিল জ্ঞানী ও বংশে মহীয়সী নারী।

তখনই সে স্বামীকে বলল:

“আমাকে এখনই তালাক দাও।”

স্বামী অবাক হয়ে অনুরোধ করল, “তুমি এমন কথা কেন বলছ? কী হয়েছে?”

সে উত্তর দিল:

“কারণ রক্তের বৈশিষ্ট্য বংশে বহমান হয়, আমি চাই না আমার সন্তান এমন একজনের রক্ত বহন করুক, যে নিজের মাকে এমনভাবে অপমান করে।”

দুঃখজনকভাবে অনেক নারী মনে করে—যখন স্বামী তাকে মায়ের ওপরে প্রাধান্য দেয়, তখন সে জয়ী হয়েছে, এখন তার জীবন নিশ্চিন্ত!

কিন্তু সে ভুলে যায় — “যেমন করবে, তেমনই প্রতিদান পাবে (كما تدين تدان)”।

নারীটি তার থেকে তালাক নিল।

এরপর আল্লাহ তাকে এমন এক স্বামী দান করলেন, যে তার মায়ের প্রতি অত্যন্ত অনুগত ও সদাচারী।

এরপর অনেক বছর কেটে গেল, সে সন্তান-সন্ততি পেল।

একদিন সে উটের হাওদায় (পর্দাযুক্ত আসন) চড়ে সফরে ছিল।

তার সন্তানরা মায়ের হাওদার যত্ন নিচ্ছিল, যেন মা ক্লান্ত না হন।

পথে তারা এক কাফেলা দেখতে পেল, যার পেছনে এক বৃদ্ধ খালি পায়ে হেঁটে চলেছে, কেউ তার খেয়াল রাখছে না।

সে তার সন্তানদের বলল:

“ওই মানুষটিকে আমার কাছে নিয়ে এসো।”

তারা নিয়ে এলো।

দেখে সে বলল, “তুমি কি আমাকে চিনতে পেরেছ?”

বৃদ্ধ বলল, “না।”

সে বলল, “আমি তোমার সেই আগের স্ত্রী — মনে আছে আমি বলেছিলাম, ‘العرق دساس’ — রক্তের স্বভাব বংশে বহমান হয়।”

“দেখো, আজ আমার সন্তানরা কত অনুগত, কীভাবে আমার যত্ন নেয়; আর তুমি দেখো তোমার অবস্থা — কোথায় তোমার সন্তানরা?

কারণ তুমি তোমার মাকে অপমান করেছিলে — এটাই তোমার প্রতিফল।”

তারপর সে সন্তানদের বলল:

“ওনার যত্ন নাও, আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে।”


আমরা ও চাইলে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের ক্ষেত্রে অনেক কাজ করতে পারি নিজে থেকে ও যেমন :-

 অন্যের খেদমত করা অন্যকে সহযোগিতা করা তার কাজে নিজের সমর্থ অনুযায়ী কারাতে সাহায্য করা,

অভাবীদেরকে খাওয়ানো।

 ঋণগ্রস্তকে তার ঋণ দেওয়ার ব্যাপারে সময় দেওয়া তার কাছ থেকে জোর করব কিছু আদায় না করা।

 অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া, তার সাথে সদাচরণ করা, পারলে তাকে অল্প হেল্প করা।

 অনেক জায়গায় অনেক কথা বলার থাকে, নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার থাকে, তবে তর্কের খাতিরে বা সম্পর্কের খাতিরে কিংবা বড় হওয়াতে সম্মান করে ছেড়ে দেওয়া।

 কারো খারাপ অবস্থা সে না বললেও বুঝে তাকে হেল্প করার চেষ্টা করা।


উপদেশ:

প্রত্যেক স্ত্রী যেন মনে রাখে —

যেমন করবে, তেমনই প্রতিদান পাবে (كما تدين تدان)।

এবং হে স্বামী! এ কথাটি তোমার জন্যও প্রযোজ্য।

তোমাদের মায়েদের ও পিতাদের প্রতি কোমল হও, তাদের অবহেলা কোরো না, কষ্ট দিয়ো না।

হে স্ত্রী, তোমার স্বামীকে তার মায়ের প্রতি অনুগত হতে দাও, বরং তাকে সহায়তা করো।

আর হে স্বামী, তোমার স্ত্রীকে তার মায়ের প্রতি অনুগত হতে দাও, তাকেও সহায়তা করো।


কারণ জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত, আর একদিন তোমারও তোমার কাজের প্রতিদান পেতে হবে।



Comments

Popular Posts