Skip to main content

Featured

কিসের এতো বাহা দুরি..!

 কিসের এতো বাহা দুরি..! ঐ যে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন পাশেই যে ওয়াল বা শান্ত জায়গা টা দেখছেন ঐ জায়গা টা না আপনার. হ্যা ঐটাই আপনার আবারো মনে করিয়ে দিচ্ছি ঐ যাইগাটাই অপেক্ষা করছেন আপনার জন্য, আপনি আমি কিন্তু ঐ নীরব জায়গার বাসিন্দা, এই যে ঘুরছি আনন্দ চিত্তে, অনেক সময় তো ভুলে ও যাই কিসের পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে  হেটে, যারা ঐ  নিরব জায়গা গুলোতে শুয়ে আছে তারা ওঁ তো আমাদের আত্মীয়-স্বজন বা কোনো দ্বীনি ভাই বোন, কিভাবে পাশদিকে হেটে চলে যাচ্ছে এতো বেখবরে। আল্লাহ তো বলেন, বন্দা আমি তো তোমাকে দুনিয়াতে মজা ভুগ করার জন্য পাঠাই নি. তোমাকে তো পাঠিয়েছে তোমার জীবন সুন্দর করে তৈরী করার জন্য, যত পারো সুন্দর করে তৈরী করে নিয়ে এসে এই নির্জন জায়গায় আসার আগে। এই যে জীবন পেয়েছেন এটা কিন্তু আল্লাহ মানুষকে একবারই দিবেন, এই যে সুন্দর দুনিয়া এটা কিন্তু সে আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন, আপনার ঐ সৃস্টি কর্তাই কিন্তু বলেন এই দুনিয়ার কোনো মূল্য নেয় তার কাছে এবং মোত্তাকিদের কাছে জান্নাতএর তুলনায়.! দুনিয়াতে শুধু কষ্ট করার জন্যই পাঠিয়েছে আর এই  কষ্টের জায়গায় মানুষকে একবার এই পাঠাবেন..! তাই দুনিয়াতে জীবনকে আল্লাহর জ...

ভিড় নয়, মানুষ এর মূল্য মানুষ এর সম্পর্কে তাই অল্প হোক কিন্তু প্রকৃত মানুষ হোক তারা।



এখন সমাজের বেশিরভাগ পরিবারগুলোকে আমার পরিবার বলে মনে হয় না,সুস্থ পরিবার ৮০%আছে কিনা সেটাই সন্দেহ।

মনে হয় যেন সবার শুধু পরিবার বৃদ্বি হচ্ছে আত্মীয় না।

কারণ অনেক পরিবারের ভিডে আত্মীয়স্বজন গুলো শুধু সংখ্যার হিসেব করতে গেলে অনেক বলে মনে হচ্ছে কিন্তু মন ও হৃদয়ের দিক থেকে একেবারে মায়া ও ভালোবাসা নাই বললেই হয়।

মনের দুঃখ বলার মত কোন আপনজনই কারো হয় না, আপনজন হয় শুধু তাদের প্রয়োজনে, স্বার্থ ছাড়া কেউ একটা চকলেটও খাওয়াইতে চায় না, বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মত কোন আত্মীয় থাকে না, এমনকি আপনি নিজেও যদি তাদেরকে নিঃস্বার্থভাবে করে থাকেন তবুও অনেক সময় আপনার বিপদে তাদেরকে পাবেন না।

আপনার চারপাশে এত মানুষ, এত এতো পরিচিত মুখ, এত স্বজন ও আপজন.

 তাও আপনার বিপদে যদি কিছু প্রয়োজন হয় তাহলে সেটা পাবেন ও পরিচিতদের থেকে অর্থাৎ যারা আপনার সম্পর্কিত কোন আত্মীয়-স্বজন না।

 অথচ আত্মীয়-স্বজনের সম্পর্কটা হওয়ার কথা ছিল এমন যে, আপনার বিপদে তাদেরকে পাশে পাওয়া, আপনার কষ্টে তারা কষ্ট, আপনার জীবনটা সহজ করার জন্য তাদের সহায়তা পাওয়া। অথচ এমন পরিবারগুলো এখন দেখাই যায় না খুব অল্প সল্প ছাড়া..,

মানুষ মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখে সুবিধার হিসেবা টা ঠিক করে হলে।

মোবাইল এ ও যদি কখনো কোন কথা হয় সেটা হয় আনন্দ উৎসবের, একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ করে দাওয়াতে, ছবি তোলা হয় হাসিমুখে, জিজ্ঞাসা করা হয় কোন কোন আইটেম দিয়ে খানা খেয়েছে টেবিলে, কোন খাবার এর টেস্ট ছিলো কে-রকম., এখানে আলোচনা হয় না কার পরিবারে কি অসুবিধা, পরিবারে কে আছে অসুস্থ, কার ঘরে কয়দিন যাবত ভালো খানা খাওয়া হয় নাই.., 

 একটা সময় যখন আমরা ছোট ছিলাম এবং মাদ্রাসায় হোস্টেলে আবাসিক ছিলাম, এমন অনেক পরিবার দেখতাম, একই পরিবারের সকল ছোট বাচ্চারা  আবাসিকে একসাথে পড়েতো তাঁদের একজনের  গার্ডিয়ান আসলে সেটা হয়ে যেতো সকলের গার্জিয়ান। এমন পরিবারগুলো দেখতেও খুব ভালো লাগতো, যদিও আমি নিজে পাইনি এমন কোনো পরিবার, তবে তাদেরকে দিখে আমার খুব ভালো লাগতো এমন কি এখনো আর মনে মনে এমন পরিবার খুঁজি আগেও বলতাম এখনো বলি আল্লাহ যেন এমন কোন পরিবারে আমাকে কবুল করেন, আর আমার নিজের পরিবারগুলো যেন এমনই হয়।

 যে পরিবারটা আমি পাইনি বলে আক্ষেপ করি, আমার মত যারা এমন সুন্দর পরিবারের চিন্তা করে, তারাও যেন এমন এক একটা সুন্দর পরিবার তৈরি করতে পারে, তাদেরকে দিয়েই যেন সুন্দর হয় আগামী পরিবার গুলোর সুন্দর দিনগুলো, 

ভবিষ্যতের মানুষগুলোর ও স্বপ্নে যেন থাকে এমন একটা পরিবার, তাই এমন পরিবারগুলোকে কখনো নাই হতে দেওয়া যাবে না।

 বুঝদার ও বিবেকবান মানুষের হৃদয়ের সবচেয়ে বড় ব্যথা হয় পরিবারের বিচ্ছেদ গুলো আমার ধারনা মতে, কারণ আমি পাইনি এমন কোন আত্মীয়, কিন্তু আমাদের অনেকগুলো আত্মীয়-স্বজন— এতো আত্মীয়স্বজন দিয়া কি ফায়দা, যারা আমাদের খারাপ সময়ে আমাদেরকে মনেই না রাখে? 

 আমি তো ব্যক্তিগতভাবে দ্বীনদার কোন পরিবার ছাড়া কারো সাথে সম্পর্ক রাখতে চাইও না আপাদত।

 তবে আমার মত অনেকেই আছে আমি জানি যে, ছোট থেকে আত্মীয়-স্বজন না দেখতে না দেখতে, তারাও আমার মত ইচ্ছা দিন কাউকে বেছে নেই, আর তারাও ভুলে যাই যে আত্মীয়তা ছিন্নকারী বেহেস্তে প্রবেশ করবে না এটাও একটা হাদিস।

 কিন্তু এই হাদিসের আমলটা দিনে দিনে চলে যাচ্ছে আমাদের এমন কৃতকর্মের কারণে। আমরা আত্মীয়-স্বজনকে মূল্যায়ন করতেছি না বলেই আমরা আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকেও মূল্যায়ন পাচ্ছি না।

 অনেক সময় মূল্যায়ন করেও তার বেনিফিটটা পাইনা তাই আগ্রহ হারিয়ে ফেলি, আত্মীয়স্বজনদেরকে  অস্বীকার করতে শুরু করি

আমাদের আত্মীয় যে আত্মীয়-স্বজন না সেটা আমার বুঝতে পারি বিপদের দিনেই—কে সত্যি আমাদের আত্মীয় আর কে শুধু নামের আত্মীয়। তখন বুঝতে পারে, রক্তের সম্পর্ক সবসময় হৃদয়ের সম্পর্ক হয় না। 

তবে তখন শেখা হয়ে যায় আমাদের জীবন নিয়ে যত পথচলা হয় তার বেশির ভাগ হয় একা একা। 

তবুও মানুষ এর প্রত্যাশার ঠিক রয়ে যায়, মন চায় কেউ পাশে দাঁড়াক। কিন্তু সময় শেখায়—যে পাশে থাকে সে-ই নিজের, সে-ই আপন। বাকিরা কেবল ভিড়; প্রয়োজন ফুরোলেই তারা সম্পর্ক ভুলে যায়।


এভাবেই মানুষ বড় হয়, শক্ত হয়, আর বুঝে যায়— ভিড় নয়, মূল্যবান শুধু দু’একজন সত্যিকারের মানুষ এর।

যারা থাকলে জীবন আলোকিত হয়, আর না থাকলে ভিড়ও একা লাগতে থাকে।

Comments