Skip to main content

Featured

পৃথিবীর সব সুখ এক পাশে, আর মায়ের স্নেহ এক পাশে—তবুও মনে হয়, মায়ের স্নেহই সবচেয়ে ভারী, সবচেয়ে মূল্যবান।

মা..জীবনে যত ভালো মানুষই আসুক যাক মায়ের মতো করে কেউ কখনো আসবে ও না আর এমন নিস্বার্থ ভালোবাসা ও কেউ দিবে না।, মায়ের মতো করে কেউ কখনো মন বুজবেনা বইয়ের মতো পড়া ছাড়া। আর আপনি চাইলে ও বুঝাতে পারবেন না। অনেক কষ্ট আর মন খারাপের সময় যদি কোনো কিছুতেই ভালো না লাগে ঠিক ওই সময় মায়ের অল্প কথায় মন ভালো হয়ে।  পৃথিবীর সব খারাপ এ ও মা পারেনা খারাপ দেখাতে তার সন্তানের কাছে। অনেক মা নিজের যৌবনকালের সুখ শান্তি ও আরামের জীবন কে ও ছেড়ে দেয় তার সন্তানের আরামের জন্য।  অনেকে তো সন্তান পালন করার ক্ষেত্রে কারো সহযোগিতা ও পায়না  এমনকি পাশে থাকে না তার স্বামীও।  সন্তানের ক্ষেত্রে তবুও মা হাল ছাড়ে না।  মা মানে একটা শান্তির জায়গায়, একটা অন্যেরকম নিরাপত্তা আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর নাম.. পৃথিবীর সব সুখ শান্তি আর বিলাসিতা দিয়ে ও যদি মায়ের ভালোবাসাকে উজন করা হয় টা ও মায়ের ভালোবাসা থাকবেন সব কিছুর উপরে আর বাকি সব কিছু থাকবে পড়ে কোনো এককোণে, মায়ের ভালোবাসার ও আদর স্নেহের  কোন মূল্য হয় না সবচেয়ে উর্ধে ও সব থেকে মূল্যবান। তাই তো  এক ব্যক্তি যখন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে ...

তারিখ ১৭-৩-২০২৫

সময় :রাত ১. ৪৪ 


রমজান আসবে রমজান আসবে বলতে বলতে রমজান অলরেডি চলেই যাচ্ছে ১৫ টা রোজা যখন চলে যায় তখন আর থাকে কয়টা???

 অর্ধেক সময় তো চলে গেছে আমাদের মাঝখান থেকে অর্থাৎ বারোটা মাসের মধ্যে একটা মাস  ছিল আমাদের জন্য রহমতের মাস যেটা বাকি ১১ টা মাসের মধ্যে উত্তম। 


 যে মাসের কথা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, এবং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতিশ্রুতি আমাদেরকে জানিয়েছেন।

 আর বর্তমানে আমরা সেই রহমত পূর্ণ মাসে অবস্থান করছি, যদিও এই মাসটার যতটা আমলের মধ্যে কাটানোর কথা ছিল ততটা আমলে কাটাতে পারছি না, অনেকের হয়ে গাফেলতের কারণে বা ব্যস্ততার কারণে, বা অজুহাতের কারণে ১১ মাস আলসেমিতে কাটানোর কারনে হয়তো অনেকেই এই মাসটাতে ভালো করে ইবাদত করছে না, কিন্তু ইবাদতের মাস তো আর আমাদের গাফেলতের কারণে থেকে যাবে না মাস তো শেষ হয়ে যাবে, তাই বাকি যে ১৪ বা ১৫ দিন আছে এই দিনগুলো আমাদের ভালো মতো রোজার পরিপূর্ণ সম্মান দিয়ে ইবাদাত করা এবং নিজের গুনাহকে আল্লাহ তায়ালার কাছে থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।

 কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ধ্বংস হোক ওই ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল অথচ নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না,

 তাহলে তার থেকে হতভাগা জমিনে আর কেউ নেই।

 বর্তমানে আমাদের বেশিরভাগ সময় চলে যাচ্ছে মোবাইল দেখা ও হাতে নেওয়ার পিছনে। কারণ ফোনটা যখন হাতে নেই এখান থেকে ওখানে এটা দেখে ওটা দেখে এভাবে সময়গুলো চলে যাই খবরও হয় না, একটা কল আসলে কলটা রিসিভ করার জন্য যখন ফোনটা হাতে নিব এরপর কিভাবে যে এখানে ওখানে চলে যাই নিজে ও জানিনা।

 আর যাদের মুভি দেখার অভ্যাস আছে জানিনা তারা কিভাবে নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে।

 আল্লাহ এ রমজানে সকলকে হেফাজত করুন, যে সমস্ত কাজ আল্লাহ তাআলা অপছন্দ করেন সে সমস্ত কাজ থেকে সকলকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন আমীন,,,

 মোবাইল ওজনের পাতলা হলেও তার ক্ষতিটা খুব মারাত্মক এবং বেশি।








Comments

Popular Posts