Skip to main content

Featured

ভিড় নয়, মানুষ এর মূল্য মানুষ এর সম্পর্কে তাই অল্প হোক কিন্তু প্রকৃত মানুষ হোক তারা।

এখন সমাজের বেশিরভাগ পরিবারগুলোকে আমার পরিবার বলে মনে হয় না,সুস্থ পরিবার ৮০%আছে কিনা সেটাই সন্দেহ। মনে হয় যেন সবার শুধু পরিবার বৃদ্বি হচ্ছে আত্মীয় না। কারণ অনেক পরিবারের ভিডে আত্মীয়স্বজন গুলো শুধু সংখ্যার হিসেব করতে গেলে অনেক বলে মনে হচ্ছে কিন্তু মন ও হৃদয়ের দিক থেকে একেবারে মায়া ও ভালোবাসা নাই বললেই হয়। মনের দুঃখ বলার মত কোন আপনজনই কারো হয় না, আপনজন হয় শুধু তাদের প্রয়োজনে, স্বার্থ ছাড়া কেউ একটা চকলেটও খাওয়াইতে চায় না, বিপদে পাশে দাঁড়ানোর মত কোন আত্মীয় থাকে না, এমনকি আপনি নিজেও যদি তাদেরকে নিঃস্বার্থভাবে করে থাকেন তবুও অনেক সময় আপনার বিপদে তাদেরকে পাবেন না। আপনার চারপাশে এত মানুষ, এত এতো পরিচিত মুখ, এত স্বজন ও আপজন.  তাও আপনার বিপদে যদি কিছু প্রয়োজন হয় তাহলে সেটা পাবেন ও পরিচিতদের থেকে অর্থাৎ যারা আপনার সম্পর্কিত কোন আত্মীয়-স্বজন না।  অথচ আত্মীয়-স্বজনের সম্পর্কটা হওয়ার কথা ছিল এমন যে, আপনার বিপদে তাদেরকে পাশে পাওয়া, আপনার কষ্টে তারা কষ্ট, আপনার জীবনটা সহজ করার জন্য তাদের সহায়তা পাওয়া। অথচ এমন পরিবারগুলো এখন দেখাই যায় না খুব অল্প সল্প ছাড়া.., মানুষ মানুষের সাথে...

তারিখ ১৭-৩-২০২৫

সময় :রাত ১. ৪৪ 


রমজান আসবে রমজান আসবে বলতে বলতে রমজান অলরেডি চলেই যাচ্ছে ১৫ টা রোজা যখন চলে যায় তখন আর থাকে কয়টা???

 অর্ধেক সময় তো চলে গেছে আমাদের মাঝখান থেকে অর্থাৎ বারোটা মাসের মধ্যে একটা মাস  ছিল আমাদের জন্য রহমতের মাস যেটা বাকি ১১ টা মাসের মধ্যে উত্তম। 


 যে মাসের কথা আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, এবং নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার প্রতিশ্রুতি আমাদেরকে জানিয়েছেন।

 আর বর্তমানে আমরা সেই রহমত পূর্ণ মাসে অবস্থান করছি, যদিও এই মাসটার যতটা আমলের মধ্যে কাটানোর কথা ছিল ততটা আমলে কাটাতে পারছি না, অনেকের হয়ে গাফেলতের কারণে বা ব্যস্ততার কারণে, বা অজুহাতের কারণে ১১ মাস আলসেমিতে কাটানোর কারনে হয়তো অনেকেই এই মাসটাতে ভালো করে ইবাদত করছে না, কিন্তু ইবাদতের মাস তো আর আমাদের গাফেলতের কারণে থেকে যাবে না মাস তো শেষ হয়ে যাবে, তাই বাকি যে ১৪ বা ১৫ দিন আছে এই দিনগুলো আমাদের ভালো মতো রোজার পরিপূর্ণ সম্মান দিয়ে ইবাদাত করা এবং নিজের গুনাহকে আল্লাহ তায়ালার কাছে থেকে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া।

 কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ধ্বংস হোক ওই ব্যক্তি যে রমজান মাস পেল অথচ নিজের গুনাহ মাফ করাতে পারল না,

 তাহলে তার থেকে হতভাগা জমিনে আর কেউ নেই।

 বর্তমানে আমাদের বেশিরভাগ সময় চলে যাচ্ছে মোবাইল দেখা ও হাতে নেওয়ার পিছনে। কারণ ফোনটা যখন হাতে নেই এখান থেকে ওখানে এটা দেখে ওটা দেখে এভাবে সময়গুলো চলে যাই খবরও হয় না, একটা কল আসলে কলটা রিসিভ করার জন্য যখন ফোনটা হাতে নিব এরপর কিভাবে যে এখানে ওখানে চলে যাই নিজে ও জানিনা।

 আর যাদের মুভি দেখার অভ্যাস আছে জানিনা তারা কিভাবে নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করে।

 আল্লাহ এ রমজানে সকলকে হেফাজত করুন, যে সমস্ত কাজ আল্লাহ তাআলা অপছন্দ করেন সে সমস্ত কাজ থেকে সকলকে বিরত থাকার তৌফিক দান করুন আমীন,,,

 মোবাইল ওজনের পাতলা হলেও তার ক্ষতিটা খুব মারাত্মক এবং বেশি।








Comments