Skip to main content

Featured

স্ত্রীকে হকের ব্যাপারে নিশ্চিত থাকলে দ্বিতীয় বিয়ে কেন চতুর্থ বিয়ে পর্যন্ত ধাপে ধাপে করা যায়..,

 বারে বারে প্রমাণিত হয় বা নিজেরাই প্রমাণ পাই যে সব সময় সত্য সত্যই থাকে। হাজারো মিথ্যা দিয়ে ঢেকে রাখলেও অন্য মাধ্যমে হলেও সে প্রকাশ পায় কারণ সে সত্য।  তদ্রূপ প্রত্যেকেরই দায়িত্ব হয়ে যায় যখন সে সত্যকে উপলব্ধি করে সত্যের জ্ঞান রাখে সত্য কিসে আটকে ধরে বেঁচে থাকার সম্বল মনে করেন। যে সত্য ধরে ন্যায়ের পথে হাঁটতে চাই, তাকেই কিন্তু ওই সত্যটা বলতে হয়, পরিস্থিতি চিন্তা করে মানুষকে আঘাতে বলতে পারা যায় না, পরিস্থিতি তো প্রত্যেকটা মুহূর্তে বদলাতে পারে কিন্তু সত্য যেটা সেটা কোন মুহূর্তে বদলায় না।  যে সত্যটা জানে তাকেই সেটা বলতে হয় এটা নিয়ে ছোট্ট একটা গল্প শোনি.., একদিন খলিফা হারুনুর রশিদ তাঁর স্ত্রী জুবাইদাকে বললেন, আমি কি আরেকটা বিয়ে করতে পারি? জুবাইদা বললেন, আমি থাকতে আপনার জন্য অন্য কাউকে বিয়ে করা বৈধ নয়। খলিফা বললেন, তুমি কীভাবে নিশ্চিত? জুবাইদা উত্তর দিলেন, আপনি চাইলে কোনো আলেমকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন। খলিফা বললেন, তাহলে চলুন, সুফিয়ান সাওরির কাছে যাই। খলিফা সুফিয়ান সাওরি রহ.-এর কাছে গিয়ে বললেন, আমার স্ত্রী বলে—সে থাকতে আমার জন্য আরেকটি বিয়ে করা বৈধ নয়। অথচ কু...

অনেক কিছু শিখতে হয় ছোট ছোট অনুভূতি থেকে..!

পথ চলার পথে ছোট কিছু অনুভূতির কথা.!

 একটা পথ পায়ে হেঁটে চলার পথে, অল্প হলেও ক্লান্ত হয় প্রতিটা মানুষ।

 পথ চলার সময় আশেপাশের প্রতিটা মানুষ একই রকমের হয় না, অনেকের অনেক ধরনের কথাই তখন কানে বাজে, তার মাঝে কিছু থাকে খারাপ কথা আবার কিছু থাকে ভালো কথা, কেউ এমন কথা শুনে ঝগড়া করে আবার কেউবা চুপ থাকে। যে চুপ থাকে সে এটা মেনে নেয় প্রতিটা মানুষেরই ভাল খারাপ দিক থাকেই, আবার যে চুপ থাকতে পারে না সে এটা বুঝাতে চাই যে তার সমালোচনা করাটা তার পছন্দ না। এভাবে পথ চলা সাথীরা সকলেই তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যাবে কোন এক নির্দিষ্ট সময়ে, যে ঝগড়া করেছে সে তার পথ এভাবে শেষ করেছেন আর যে চুপ রয়েছে সেও তার পথ শেষ করেছে, উভয়ের মাঝে এতটুকুই পার্থক্য যে চুপ থাকা, এটা মাথায় রাখতে হবে যে হাজারো ভিড়ের মাঝেও এগোতেও হবে।

 মানুষের জীবনে এমন অনেক সময় আছে যখন কিছু বলার থাকে না শুধু চুপ করে থাকা ছাড়া., প্রতিটা মানুষের জীবনে পরিচিত মানুষের মাঝে এমন কিছু মানুষ থাকে, যারা ভালো টাকেও ভালোভাবে মেনে নিতে পারে না, তাদের কাজে শুধু নেগেটিভ মনোভাব ছড়ানো, কারো ভালো কাজকে তারা খারাপ ভাবে প্রকাশ করা, তাদেরকে আপনার কোন বেতন দিয়ে ভাড়া করে রাখতে হবে না, তারা বিনা বেতনেই মানুষের ব্যাপারে খারাপ মন্তব্য ছড়াতে পারে।

তাই যখন যেখানেই নিজের ব্যাপারে নেগেটিভিটি  দেখবেন,তখন সেখান থেকেই নিজেকে সরিয়ে নেবেন।আর এটা কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটা নিজের মানসিক শান্তির প্রতি দায়িত্বশীল থাকার একটা ছোট প্রমান।

খারাপ লাগলেও এটা সত্যি যে  আমাদের আশেপাশে যে সমস্ত মানুষরা আছে সকলেই কিন্তু আমাদের ভালো চায়না, তারা আসে নিজেদের স্বার্থে, স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে আর কিছুই তারা মনে রাখে না। অনেকে আবার সহানুভূতির মুখোশ পরে আসে,তারা সুযোগ খুঁজে বেড়ায় আঘাত করার। তাদের সেই সুযোগটা আবার আমরা নিজেরাই করেদি একটু বেশি মানবতা দেখাতে গিয়ে। এইজন্য প্রয়োজন ছাড়া কারো সাথে এত বেশি কথা বলার দরকার নেই, ভুল কিছু বললে তর্কে যাওয়ারও প্রয়োজন নেই, নিজে থেকে তাদেরকে কিছু বুঝানোরও দরকার নেই।

 চুপ থাকার কারণে যদি কেউ মূর্খ ভাবে তাও ভালো, কারণ এতে আপনার শরীরের এনার্জি ও ও মানুষিক শান্তি উভয়টাই পাবেন। কোন কিছুতে তাড়াহুড়া করার প্রয়োজন নেই, তাড়াহুড়া শয়তানের পক্ষ থেকে। আপনি যে কাজে তাড়াহুড়া করবেন সেটাতে হয় লস হবে না হয় নিজের ক্ষতি হবে, তবে মাঝে মাঝে কিছু সাময়িক লাভ করতেই পারে।

 পৃথিবীতে সবকিছুর উপরে হলো নিজের সম্মান, যারা নিজেরা তাদের সম্মানটা খুঁজে তারা অবশ্যই অন্যকে ও সম্মান দেয়।                                  তারা জানে কাকে সম্মান করতে হয় আর কার কাছ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে হয়।

সবশেষে একটাই কথা..!                              জীবন যেমন অনেক সুন্দর। আল্লাহর সৃষ্টি দুনিয়াটা ও অনেক সুন্দর, আল্লাহ তাআলা পৃথিবীতে মানুষও দিয়েছে আবার পশু পাখিও দিয়েছে।

 কিছু মানুষ হিংস্র প্রাণীর আচরণ টাকে নিজেদের আচরণ বলে মেনে নিয়েছে, আর নিজেদের আচরণটাকে তারা ভাবে বোকা।  আল্লাহ তাঁয়ালা যেহেতু জ্ঞান দিয়েছেন, তাই নিজের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আপনাকেই বেছে নিতে হবে কোনটা পাশ কাটিয়ে এগিয়ে যাতে হবে আর কোনটা গ্রহণ করতে হবে।


সব কথার উত্তর দিতে নেই, সবকিছুর প্রতিক্রিয়া ও দিতে নেই। নিজেকে প্রমাণ করার দরকার নেই, শুধু নিজের পথে স্থিরভাবে এগিয়ে যাওয়াই শ্রেয়।

Comments