Skip to main content

Featured

কিসের এতো বাহা দুরি..!

 কিসের এতো বাহা দুরি..! ঐ যে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছেন পাশেই যে ওয়াল বা শান্ত জায়গা টা দেখছেন ঐ জায়গা টা না আপনার. হ্যা ঐটাই আপনার আবারো মনে করিয়ে দিচ্ছি ঐ যাইগাটাই অপেক্ষা করছেন আপনার জন্য, আপনি আমি কিন্তু ঐ নীরব জায়গার বাসিন্দা, এই যে ঘুরছি আনন্দ চিত্তে, অনেক সময় তো ভুলে ও যাই কিসের পাশ দিয়ে চলে যাচ্ছে  হেটে, যারা ঐ  নিরব জায়গা গুলোতে শুয়ে আছে তারা ওঁ তো আমাদের আত্মীয়-স্বজন বা কোনো দ্বীনি ভাই বোন, কিভাবে পাশদিকে হেটে চলে যাচ্ছে এতো বেখবরে। আল্লাহ তো বলেন, বন্দা আমি তো তোমাকে দুনিয়াতে মজা ভুগ করার জন্য পাঠাই নি. তোমাকে তো পাঠিয়েছে তোমার জীবন সুন্দর করে তৈরী করার জন্য, যত পারো সুন্দর করে তৈরী করে নিয়ে এসে এই নির্জন জায়গায় আসার আগে। এই যে জীবন পেয়েছেন এটা কিন্তু আল্লাহ মানুষকে একবারই দিবেন, এই যে সুন্দর দুনিয়া এটা কিন্তু সে আল্লাহই সৃষ্টি করেছেন, আপনার ঐ সৃস্টি কর্তাই কিন্তু বলেন এই দুনিয়ার কোনো মূল্য নেয় তার কাছে এবং মোত্তাকিদের কাছে জান্নাতএর তুলনায়.! দুনিয়াতে শুধু কষ্ট করার জন্যই পাঠিয়েছে আর এই  কষ্টের জায়গায় মানুষকে একবার এই পাঠাবেন..! তাই দুনিয়াতে জীবনকে আল্লাহর জ...

দান করাতো গুপনেই সুন্দর ও বরকত ময়।

 


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহী 

ওয়া বারাকাতুহ্ 

আমরা সকলেই জানি মানুষ মরণশীল, যার জম্ম একবার হয়েছে পৃথিবীতে তার মৃত্যু ও হবে।

তবে মৃত্যুর মতো এমন এক কঠিন সময়ে মানুষের ও মানুষ এর আপসোস হবে আর সেই আপসোস টা কি জানেন..! সেটা হলো,পৃথিবীতে সে কেনো দান করলো না.,

আমাদেরকে যদি  মৃত্যুর পরও এমন একটা বিষয় নিয়ে আক্ষেপ করতে হয় আর আমরা যদি জীবিত অবস্থাতেই এই আক্ষেপের বিষয়ে জানি এবং খেয়াল রাখি তাহলে তো মৃত্যুর পরে আমাদের আর আক্ষেপ করতে হবে না।

 দান ছদকা তো দান সদকাই হয় সেটা আপনি অল্প টাকা দিয়ে কাউকে হেল্প করুন বা তার প্রয়োজন যেটার সেটা দেন হয় খাবার না হয় বাসস্থান।

 আমরা আমাদের সফলতার পথে হাঁটতে গিয়ে অনেক সময় অনেক কিছু খুব সহজে পেয়ে যাই আবার অনেক সময় এমনও হয় যে, অনেক চেষ্টা করার পরেও পাইনা বা সন্দেহে থাকি এবং সেটার জন্য আমরা আল্লাহ তাআলার কাছে অনেক দোয়া করি, এমন কোন বিষয় যদি দোয়া করার সাথে সাথে পেয়ে যাই তখন আমরা ভিতর থেকে খুবই খুশি হই, যে খুশিটা একমাত্র যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার কাছে খোঁজা জিনিসটা পাই সে আর আল্লাহ তায়ালা ছাড়া আর কেউ জানে না, কারোকে দামি দামি গিফট করে অনেক বেশি খুশি করার চেয়ে একজন ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে একবেলা ভাত খাওয়ানো অনেক বেশি সওয়াবের কাজ। প্রকৃত মানুষ তো সে যে নিজে এই বিষয়ে জানে যে সে যে জিনিস দান করছে তার কাছ থেকে সে কোন কিছু পাবে না, এমন ব্যক্তিদের দান করার ক্ষেত্রে বা তাদের উপকার করার ক্ষেত্রে মানুষ সম্পূর্ণ নিঃস্বার্থেই করে, আর আমার এমন উপকার গুলো দেখতে বা শুনতে খুবই ভালো লাগে।

 কারকে হেল্প করা, বা হেল্প করার মত সমর্থ এগুলো আল্লাহ তায়ালা সবাইকে দেয় না। আপনি খেয়াল করলে দেখতে যে, অনেক ধনী ব্যক্তিরা আছেন  যাদের অটল ধনসম্পদ আর টাকা-পয়সা তাদের মাসে বা সাপ্তাহে তাদের বেশিরভাগ সময় কাটে ঘোরাফেরা বা দেশভ্রমণ,

 আর এই ঘোরাফেরা আর দেশ ভ্রমণের মাধ্যমেই তারা এত ব্যস্ত থাকে যে তাদের কাছে দিন-রাত সমান হয়ে যায় গরিবদেরকে দান করবে তো দূরের কথা তাদের চোখের সামনেও উপরে না গরিবরা কারণ তাদের চলাফেরা হয় ফ্লাইটে রাতে আছে তো দিনে নেই, আর তাদের বাসস্থান থাকে এমন জায়গায় যেখানে গরিবদের যাওয়া ও সম্ভব না চাইবে তো দূরের কথা।

 তাই যাদের দান করার মত সমর্থন আছে, তারা নিজেরাই ধনী তাহলে তাদেরই উচিত গরিবদেরকে খুঁজে খুঁজে বের করা আর তাদেরকে তাদের সমর্থ্য অনুযায়ী অল্প কিছু হেল্প করা, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির মানুষগুলোকে খুঁজে খুঁজে অল্প কিছু দেওয়া কারণ নিম্ন মধ্যবিত্ত ফ্যামিলিরা কারো কাছে চাইতে পারে কারো কাছে চাওয়ার মত ক্ষমতাটা তারা রাখে কিন্তু মধ্যবিত্তরা লজ্জার কারণে সেটাও পারেনা তার মানে এইটা না যে মধ্যবিত্তরা চলতে পারে তাই তারা চায় না বরঞ্চ তারা লজ্জার কারণে যাইতে পারে না।

 রিজিকের না থাকলে কেউ কারো কাছ থেকে কোন হেল্প পায় না আবার অনেক সময় এমনও হতে পারে যে তার রিজিকটা আল্লাহতালা আপনার কাছে রেখে দিয়েছেন আপনি নিজ থেকে তাকে দিবেন বলে, হতে পারে এই রিজিকে লেখা আছে যে সে আপনার কাছে চাইবে না, আপনাকেই তার অবস্থান বুঝে তাকে দান করতে হবে।

আল্লাহ তাঁয়ালা যদি আপনাকে মানুষের উপকার করার তাওফিক দান করেন,তবে উপকার করার পরে পরেই যথাসম্ভব ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করবেন, হতে পারে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে সমর্থ্য দিয়েছে তাকে উপকার করার জন্য বা আল্লাহ তাআলা তার সমস্যার সমাধান রেখেছেন আপনার মাধ্যমে।

একটা কথা ‘মনে’ রাখা আমাদের জন্য জরুরী

কাহারো বিপদের সময় সাহায্যের হাত'টা

বাড়িয়ে তাকে খোঁটা দেওয়া টা উচিৎ নয়, প্রতিদান দেয়ার জন্য আমার রবই যথেষ্ট, 

বেশি বেশি দানের আমল করবেন। গোপন দান সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী।

 দানের ব্যাপারে সিরিয়াস হওয়ার চেষ্টা করবেন,

প্রতিদিন অন্তত সামান্য কিছু হলে ও দান করবেন, কুরআন হাদীসে দানের কথা এত বেশি বলা হয়েছে যা জানলে আপনার শুধু দান করতেই মন চাইবে। 

 বিপদ আপদ থেকেও রক্ষা পেতে পারি নিজেরা অল্প কিছু দান-সদ কার মাধ্যমে 


              عَلٰى كُلِّ مُسْلِمٍ صَدَقَةٌ»

‘‘প্রত্যেক মুসলিমের উপর সদকা করা একান্ত জরুরী।’’


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সদকার ফযীলত বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেছেন : তা বিপদ দূরীকরণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যেমন তিনি বলেছেন :

«لَمَّا خَلَقَ اللَّهُ الأَرْضَ جَعَلَتْ تَمِيدُ، فَخَلَقَ الجِبَالَ، فَقَالَ بِهَا عَلَيْهَا فَاسْتَقَرَّتْ، فَعَجِبَتِ المَلَائِكَةُ مِنْ شِدَّةِ الجِبَالِ. قَالُوا: يَا رَبِّ هَلْ مِنْ خَلْقِكَ شَيْءٌ أَشَدُّ مِنَ الجِبَالِ؟ قَالَ: نَعَمُ الحَدِيدُ. قَالُوا: يَا رَبِّ فَهَلْ مِنْ خَلْقِكَ شَيْءٌ أَشَدُّ مِنَ الحَدِيدِ؟ قَالَ: نَعَمُ النَّارُ. فَقَالُوا: يَا رَبِّ فَهَلْ مِنْ خَلْقِكَ شَيْءٌ أَشَدُّ مِنَ النَّارِ؟ قَالَ: نَعَمُ المَاءُ. قَالُوا: يَا رَبِّ فَهَلْ مِنْ خَلْقِكَ شَيْءٌ أَشَدُّ مِنَ المَاءِ؟ قَالَ: نَعَمُ الرِّيحُ. قَالُوا: يَا رَبِّ فَهَلْ مِنْ خَلْقِكَ شَيْءٌ أَشَدُّ مِنَ الرِّيحِ؟ قَالَ: نَعَمْ ابْنُ آدَمَ، تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ بِيَمِينِهِ يُخْفِيهَا مِنْ شِمَالِهِ»


‘‘আল্লাহ তা‘আলা যখন পৃথিবী সৃষ্টি করেন তখন তা দুলতে থাকে। অতঃপর আল্লাহ তাতে পর্বত সৃষ্টি করলে তা স্থির হয়ে যায়। তা দেখে ফেরেশতাগণ আশ্চর্যান্বিত হয়ে বললেন : প্রভু হে! পর্বতের চেয়ে শক্তিশালী তোমার অপর কোন সৃষ্টি আছে কি? আল্লাহ বললেন: ‘হ্যাঁ, এর চেয়ে শাক্তশালী হলো লোহা।’ তারা বললেন : প্রভু হে! লোহার চেয়ে শক্তিশালী আর কিছু আছে কি? আল্লাহ বললেন : ‘‘হ্যাঁ, তা হলো আগুন।’’ তারা বললো : প্রভু হে! আগুনের চেয়ে শাক্তিশালী কিছু আছে কি? আল্লাহ বললেন : ‘হ্যাঁ, আগুনের চেয়ে শক্তিশালী হলো বাতাস। তারা আবার বললো : প্রভু হে! বাতাসের চেয়ে শক্তিশালী কিছু আছে কি? আল্লাহ বললেন : ‘হ্যাঁ, আদম সন্তান উদার চিত্তে যে দান করে তা (বিপদ দূরীকরণের ক্ষেত্রে) বাতাসের চেয়েও অধিক শক্তিশালী।’’


মৃত্যুর কঠিন সময়ে মানুষের আপসোসহবে আর সেই আপসোসটাই হলো দান সংক্রান্ত আপসোস, এবার চিন্তা করুন, এই আমলটা কত ওজনদার একটি আমল।

 তাই আমাদের চেষ্টা করা প্রতিদিন অল্প হলে ও দান করার 

Comments